ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ()

প্রকাশক ও সম্পাদক এস এম ফুয়াদ শামীম এর পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা

কুষ্টিয়া ৩ সদর আসনে ধানের শীষের পক্ষে যারা সবচেয়ে বেশি পরিশ্রম করেছে, নিরলস ভাবে কাজ করেছে।ধানের শীষের পক্ষে প্রচার-প্রচারণায় ছিল সবার চেয়ে এগিয়ে- সেই অঙ্গ সংগঠনটি হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল, কুষ্টিয়া জেলা শাখা। কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র পরীক্ষিত নেতা, দলের দুঃসময়ে,কর্মীদের দুঃখ দুর্দশাই যে নেতা ইস্পাতের মত শক্ত হয়ে কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি জেলা বিএনপির মাননীয় সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার। যে নেতা নোংরা কৌশলের শিকার হয়ে, অদৃশ্য ষড়যন্ত্রের শিকারে পরাজয় বরণ করেছেন, কুষ্টিয়া সদর ৩ আসনে এই পরজয়ের পেছনের কারণগুলো অনুসন্ধান করতে মাঠে নামে আমাদের অনুসন্ধান টিম, সেই অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে নিষ্ঠুরতম কিছু সত্যতা,এই পরাজয়ের পেছনে অনেকগুলো কারণ এর মধ্যে অন্যতম ছিল জেলা বিএনপির সাবেক ও বর্তমান কিছু সিনিয়র নেতা। তাছাড়াও কিছু তেলবাজ যারা সারাক্ষণ প্রার্থীর সঙ্গে থেকে সাধারণ মানুষদেরকে প্রার্থীর কাছে পৌঁছাতে দেন নাই, প্রার্থীকেও সাধারণ মানুষের সাথে মেশার সুযোগ করে দেন নাই। এছাড়াও ছিল কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব ও কোন্দল,তা দলকে বিভক্ত করেছে।কমিটি করার প্রস্তুতি হিসেবে প্রতিটি ওয়ার্ড ইউনিয়নে একটি করে সার্চ কমিটি করা হয় তখন থেকেই আওয়ামী পুনর্বাসন শুরু হয় কারন প্রতিটি সার্চ কমিটিতে স্থান পায় চিহ্নিত আওয়ামী লীগের দোসরা। মূলত এখান থেকেই কুষ্টিয়া বিএনপির ধ্বংসের শুরু, অযোগ্য ওয়ার্ড ও উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দের হাতেই ওঠে নির্বাচনের দায়িত্ব তাই প্রচার-প্রচারণায় কোন জৌলুস ছিল না, অনেক দিন পরে একটি ভালো নির্বাচন দেখল কুষ্টিয়ার জনগণ কিন্তু ধানের শীষের কোন জোয়ার উঠলো না কিন্তু বিগত নির্বাচন গুলোতে বারাবরই ধানের শীষের জোয়ার দেখা গেছে। এবারের নির্বাচনে কোথায় যেন কোন অদৃশ্য শক্তি ধানের শীষের নির্বাচনকে গলা টিপে ধরে রেখেছিল। ভোটার উপস্থিতিও ছিলো সন্তোষজনক কিন্তু ধানের শীষের বিপুল ব্যবধানে পরাজয়।যেটা বিএনপি’র ত্যাগী সমর্থকেরা কোনভাবেই মেনে নিতে পারছে না।এর মধ্যে ব্যতিক্রম ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল কুষ্টিয়া জেলা শাখার সংগ্রামী সভাপতি আরিফুর রহমান সুমন ও বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুল তারা নিঃস্বার্থভাবে নিজেদের অর্থ ব্যয় করে নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছে কৃষকদলের বিশাল কর্মী বাহিনী নিয়ে তারা নির্বাচনের মাঠ দাপিয়ে বেরিয়েছে। কৃষক দল সভাপতি আরিফুল রহমান সুমনের বিচক্ষণতায় কুষ্টিয়াবাসী দেখে প্রথম ডিজিটাল ব্যানার তার পরিকল্পনায় অংশ হিসেবে ডিজিটাল গাড়ির মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা যোগহয় এক নতুন মাত্রা। গ্রাম থেকে শহরের প্রতিটি ওলিতে গলিতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে আরিফুর রহমান সুমনের ও এডভোকেট নুরুল ইসলাম নরুলের নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের বিশাল কর্মী বাহিনী। কিন্তু যেখানে ষড়যন্ত্রে ঘিরে রাখে সব এখানে শত পরিশ্রম আর পরিকল্পনাও বৃথা যায়।আরিফুর রহমান সুমন এর মত নেতাদের অর্থ শ্রম পরিকল্পনা ষড়যন্ত্রের কাছে হার স্বীকার করেনি প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার হেরেও শিখেছেন অনেক কিছু…..
আজ আমরা সৌভাগ্যবান আরিফুর রহমান সুমন আমাদের দেখালেন সামনের উজ্জ্বল তম দিন,তাকে আমাদের পত্রিকার প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে পেয়ে আমরা কৃতজ্ঞ।প্রধান উপদেষ্টা আরিফুর রহমান সুমন ও উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্যদের প্রতি রইলো বিবিসি ক্রাইম নিউজ ডট কম এর প্রধান প্রকাশক ও সম্পাদক এস এম ফুয়াদ শামীম এর পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। আপনারা পাশে আছেন বলেই আমরা সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা পাচ্ছি।


     এই বিভাগের আরো খবর